এই যে অটোমটিভ শিল্প জগৎ তা আর কিছু দিনের মধ্যেই বিশেষ
খ্যাতি লাভ করবে এবং সেই কিছুদিন আর বেশি দেরি নেই তা
২০২৬ সালের মধ্যেই সম্ভব হবে আর তার বিশেষ কারণ হলো
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ক্ষেত্রেই কিছু অসামান্য
উন্নতি। ছাত্র ছাত্রীরা যখন জিজ্ঞেস করে, “হোয়াই আই
শুড রিড ডিপ্লোমা ইন অটোমোবাইল
ইঞ্জিনিয়ারিং?” তখন তাদের সামনে এই দিকটি
তুলে ধরে তাদেরকে বিশেষ ভাবে উৎসাহ দেওয়া ভীষণ ভাবে
বাঞ্ছনীয়। যদি তুমিও এই বিষয়টি নিয়ে পড়াশুনা করতে
আগ্রহী হও তো সেক্ষত্রে তোমার এই বিষয় সংক্রান্ত কিছু
তথ্য আগেই জেনে রাখা উচিত।
অতীতকালে ঠিক যেমন ঘোড় সওয়ারী করে এক জায়গা থেকে আরেক
জায়গায় খুব সহজেই যাওয়া যেত ঠিক এখন তেমন গাড়িতে করে
খুব সহজেই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছানো যায় আর
এই গাড়িগুলিকে তৈরী করার পিছনে অন্যতম যে
ইঞ্জিনিয়ারদের হাত থাকে তারা হলো অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার।
এই অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি হলো যানবাহন তৈরী
করতে যে প্রযুক্তিবিদ্যাগুলো লাগে তার মধ্যে একটি। যা
সব ধরনের প্রযুক্তি একত্রিত করে তৈরী তা সফটওয়্যার
থেকে শুরু করে যান্ত্রিক ও তার সাথে বৈদ্যুতিক বিভাগ
অবধি। এই প্রযুক্তিগত বিদ্যা বিভিন্ন উন্নত যানবাহন
তৈরী করতে ব্যবহৃত হয় যেমন চার চাকা গাড়ি, মোটর সাইকেল
এবং আরো অন্যান্য।
বিষয়টিকে পর্যালোচনা করেই বুঝতে পারছো এটি খুব সাধারণ
কোনো বিষয় নয় তাই এই বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করে
কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভ করতে হলে অব্শ্যই প্রযুক্তি
বিদ্যার প্রতি তোমার বিশেষ আগ্রহ থাকতে হবে.
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমাতে ভর্তি হতে গেলে
অব্শ্যই তোমার কিছু বিশেষ যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। এই
প্রশিক্ষণটি পেতে গেলে তোমার পূর্ববর্তী শিক্ষা স্তরে
কিছু ধাপ উত্তীর্ণ হতে হয়.
তুমি যখনই এই প্রশিক্ষণটি গ্রহণ করার জন্য কিছু
প্রতিষ্ঠানের খোঁজ খবর নেবে তখনই দেখবে তারা সবাই
মোটামুটি একই যোগ্যতা তোমার থেকে প্রত্যাশা করবে আর তা
হলো,
- উচ্চমাধ্যমিক স্তরে তুমি যেন অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ
নিয়ে পড়াশুনা করে উত্তীর্ণ হও তার কারণ এই জাতীয়
প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে প্রযুক্তিগত ধারণা কিংবা
তাকে আত্মস্থ করার প্রবণতা বা ক্ষমতার দরকার পরে.
- শুধু বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশুনা করলেই হবে না,
তোমার পাঠক্রমে যেন পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা ও
গণিত এই তিনটি বিষয় অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও তোমাকে একটি
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এই
প্রশিক্ষণটিতে ভর্তি হতে হয় এবং তুমি কোন
প্রতিষ্ঠানটিকে বেছে নিতে পারবে তা অবশ্যই তোমার
এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও অর্জিত স্থানের উপর
নির্ভর করে.
- এই পরীক্ষায় বসতে গেলে উচ্চমাধ্যমিকে তোমাকে কিছু
শতাংশ নম্বর পেতে হবে যা মোটামোটি ৫০ থেকে ৫৫
শতাংশ প্রাপ্ত নম্বর হতে হয়.
হ্যা, এটি ভীষন ভাবে সত্যি যদি তুমি অটোমোবাইল
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা করো তো সেক্ষত্রে
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি এর তোমার বিশেষ সুযোগ
আছে তা বলা যেতে পারে এবং যত দিন যাবে তত এই চাকরির
সুযোগ বাড়বে ছাড়া কমবে না. এই প্রশিক্ষণটি তোমাকে
পাঠ্য জ্ঞান এবং হাতে কলমে শিক্ষ্যা দিয়ে এমন ভাবেই
তৈরী করবে যাতে তুমি যানবাহন প্রযুক্তি সংক্রান্ত
সমস্ত রকম সমস্যার সমাধান কিংবা নতুন কিছু আবিষ্কার
করাতেও ব্রতী হতে পারো।
আর যেহেতু এটি আধুনিককালের সমস্ত প্রযুক্তি সংক্রান্ত
জ্ঞান প্রেরণ করে তাই এই বিভাগ নিয়ে পড়াশুনা করা
ছাত্রছাত্রীদের প্রযুক্তি শিল্পে কর্মসংস্থান এর সুযোগ
ক্রমশ বাড়বে যতদিন যাবে।
এই কোর্সটি করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়ার আগে
কোন কোন বিষয় গুলি তোমার পর্যালোচনা করে দেখা উচিত?
এই কোর্সটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স বলা চলে তাই বহু
প্রতিষ্টানই এই প্রশিক্ষণটি দেয়ার ব্যবস্থা নিজেদের
কাছে রাখে তবে যেকোনো প্রতিষ্ঠানকেই বেছে নেওয়ার আগে
তার কিছু বিষয় সম্পর্কে তোমার পর্যালোচনা করে নেয়া
উচিত। প্রথমে যেটা দেখবে একজন সফল অটোমোবাইল
ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ওঠার জন্য যে যে প্রশিক্ষণ গুলি তোমার
দরকার তা তাদের পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত কিনা। এরপর যেটা
দেখবে তা হলো , কোর্সটি শেষ করার পর তারা তোমার কাছে
কতটা চাকরির সুযোগ এনে দিতে পারছে।
সর্বোপরি, এখন একটি কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে এটিই
ছাত্রছাত্রীদের নূন্যতম চাহিদার মধ্যে একটি তাই তুমি
যখন গুগলের কাছে প্রশ্ন করবে, “হুইচ ইনস্টিটিউট ক্যান
প্রোভাইড আস উইথ বেস্ট অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
জব?” তো সেক্ষত্রে প্রথমেই তার যে নামটি
তুমি দেখতে পাবে তা হলো জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং
ইনস্টিটিউট। যদি তুমি খোঁজ নিয়ে দেখো তাহলে
অবসসই জানতে পারবে এই প্রতিষ্ঠানটি এই প্রশিক্ষণটি
দেয়ার জন্য সবচেয়ে সুযোগ্য এই কলকাতা শহরে।